AREA 51 এর রহস্য,

ফিনিক্স বাংলায় সকলকে স্বাগত। আজ আমরা আলোচনা করবো পৃথিবীর একটি রহস্যময় স্থান AREA 51 নিয়ে। AREA 51 এর আসল নাম NEVADA TEST AND TRAINING RANGE. এটি অবস্থিত USA এর NEVADA তে।

 

%25E0%25A6%258F%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25BF%25E0%25A7%259F%25E0%25A6%25BE%2B%25E0%25A7%25AB%25E0%25A7%25A7%2B%25E0%25A6%258F%25E0%25A6%25B0%2B%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25B9%25E0%25A6%25B8%25E0%25A7%258D%25E0%25A6%25AF

 

 সাধারণ তথ্য অনুযায়ী প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় AREA 1, AREA 2 এরকম আরো বিভিন্ন এরিয়াতে পারমাণবিক অস্ত্রের টেস্ট করা হতো। ঠিক সেরকমই একটি এরিয়া, AREA 51.

কিন্তু এরিয়া ৫১ যেন আলাদাভাবেই নিজেকে রহস্যময় করে তোলে। এই এরিয়া নিয়ে বিভিন্ন রকম গল্প রয়েছে, তার মধ্যে বিখ্যাত একটি গল্প হলো, একজন লোক দাবি করেন তিনি এরিয়া ৫১ এ কাজ করতেন। তার নাম বব লেজার। তিনি S4 নামক একটি ডিপার্টমেন্টে কাজ করতেন। তিনি জানান, এরিয়া ৫১ এর টিম UFO এবং এলিয়েনদের সংগ্রহ করে তাদের ওপর এক্সপেরিমেন্ট করতো। যে তারা কিকরে ফিউল ব্যবহার না করেই UFO এর মাধ্যমে অনেক দূরত্বের পথ পাড়ি দেয়। বা এলিয়েনদের শরীর নিয়ে বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট!

এই এরিয়ার আরো একটি মজাদার ব্যপার হলো, কোনো রকমের হেলিকপ্টার বা প্লেনকে এই এরিয়ার ভেতর ঢুকতে দেওয়া হয় না। এই জাগার ছবি তোলাও পুরোপুরিভাবে নিষিদ্ধ। ইন্টারনেটে যে সমস্ত ছবি দেখা যায়। সেগুলো বহুদূরে অবস্থিত পাহাড় থেকে তোলা। এমনকি কোনো স্যাটালাইটএরও ছবি তোলার অনুমতি নেই এই এরিয়ার।

আজ পর্যন্ত সেখানকার সরকার এই এরিয়া নিয়ে কোনো রকমের খোলা-মেলা বক্তব্য করেনি। কেউ কেউ মনে করেন সেখানে শুধু মাত্র বিভিন্ন হাতিয়ার টেস্ট করা হয়। কিন্তু তাই যদি হতো তবে এতটা বাধা নিষেধ কেন?

আপনারা শুনলে অবাক হবেন, ২০১৩ এর আগে এরিয়া ৫১ এর অস্তিত্ব স্বীকার করা হতো না।

বিভিন্ন মানুষ বিভিন্ন সময় এমন দাবি করেছে যে তারা এরিয়া ৫১ এর বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টে কাজ করতেন। সমস্ত কাজই এলিয়েনদের কেন্দ্র করেই হতো।

আজ পর্যন্ত এরিয়া ৫১ এর যে সমস্ত তথ্য সামনে এসেছে, তা কোনোটাই পুরোপুরি সত্যি বলে দাবি করা হয় না। তবে যেটুকুকে সঠিকভাবে দাবি করা হয় তা হলো এখানে বিভিন্ন রকমের ভয়ঙ্কর অস্ত্র টেস্ট করা হয়। এই জায়গাটি জনবসতি থেকে অনেকটা দূর এবং চারিদিকে পাহাড় দিয়ে ঘেড়া। তাই অস্ত্র টেস্ট করবার জন্য উপযোগী একটি জায়গা।

আপনি যদি কখনো ওখানে যেতে চান, তবে তার থেকে ১৬ কিলোমিটার আগেই একটি বোর্ড দেখতে পাবেন। যাতে লেখা আছে এর আগে যাবেন না। ওখানে বেশ কিছু সিকিউরিটি ক্যামেরা লাগানো রয়েছে যা সবসময় চারিদিকে নজর রাখে। তাছারাও ওখানকার টাওয়ারে বসে থাকা সিকিউরিটিরা ২৪*৭ চারিদিকে নজর রাখে। শোনা যায়, তাদের অনুমতি দেওয়া আছে কেউ ওই বোর্ড ক্রস করলে তাকে যেন গুলি করে মেরে ফেলা হয়; সে যেই হোক না কেন! এই জায়গার চারিদিকে ম্যাগনেটিক সেন্সার লাগানো রয়েছে যার ফলে এর চারিপাশে আসা যেকোনো বস্তুকে সিগনাল দিয়ে সেখান থেকে ফিরে যেতে বলা হয়।

BBC একবার সেই এরিয়ার ঢুকে ডকোমেন্টারি বানানোর চেষ্টা করেছিল! আপনি জানলে অবাক হবেন BBC এর সকল মেম্বার কে এরেস্ট করে নিয়েছিল এরিয়া ৫১ এর সিকিউরিটি টিম৷ তাদের হাঁটু গেড়ে তিনঘন্টা বসিয়ে রাখা হয়েছিল, যতক্ষন না তাদের আইডিকার্ডের প্রপার ভেরিফিকেশন হয়ে যায়।

সবশেষে বলা যায় এরিয়া ৫১ একটি রহস্য, যা সাধারণ মানুষের কাছে লুকিয়ে রাখা হয়েছে। আসলে এই জায়গাটিতে কি আছে তা কেউ জানে না।

এরকম আরো তথ্য পেতে আজই যুক্ত হন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে- WhatsApp