করোনার সঙ্গে তাল মিলিয়ে নতুন ভাবে লকডাউন কড়া নেড়েছে আমাদের সকলের ঘরে। এখন আমরা দরকার ছাড়া বাইরে বেরোতে পারবো না! এমনকি যারা ছোটো মোটো কাজ করতাম সেগুলোও আর সম্ভব হয়ে উঠবে না। অপরদিকে জিনিসপত্রের দাম আকাশছোঁয়া! এমন সময় সকলেরই দরকার একটি কাজের। যা ঘরে বসে করা যায়।

ফেসবুকের কিছু পোষ্ট সচরাচর দেখা যায়। যাতে লেখা থাকে ঘরে বসে ইনকাম করুন মাসে ২০ হাজার। অনেকে আবার টাকার অঙ্কটা এতটাই বাড়িয়ে দেয় যে তার লোভ খুব সহজে মানুষ এড়িয়ে যেতে পারে না। এদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে সবার প্রথমে আপনার কাছে একটা মোটা এমাউন্ট চাওয়া হয়, তারপর আপনাকে এরা যেভাবে ফাঁসিয়েসে ঠিক সেভাবেই আপনাকে দিয়ে অন্যজনদের ফাঁসানোর রাস্তা দেখিয়ে দেয়। আরো বিভিন্ন ধরনের জাল রয়েছে আমাদের চারিদিকে, যার ফলে বিভিন্ন সময় অজান্তেই মানুষের খোয়া যায় কষ্টে রোজকার করা বহু টাকা।

তাই আপনাদের সঙ্গে আজ, সঠিক পদ্ধতিতে ঘরে বসে কিকরে বেশ ভালো এমাউন্ট ইনকাম করা যায় তার আলোচনা করবো।

দেখুন, আপনি ইনকাম করতে চান, সেটা ঘরে বসে হোক বা বাইরে গিয়ে; মোটকথা আপনাকে পরিশ্রম করতে হবে। আমি যে দুটো কাজের কথা বলবো সেগুলো বিশাল পরিশ্রমের না হলেও বিশাল মাথা খাটানোর কাজ,

(ক) ব্লগার -> ব্লগার বাড়িতে বসে ইনকাম করবার বেশ ভালো একটি প্লাটফর্ম। আপনি নির্দিষ্ট কোনো একটি বিষয়ে ভালো জানেন? তবে আপনি ব্লগারে কাজ করতে পারেন। ধরে নেওয়া যাক আপনার রান্না-বান্না সমন্ধে বেশ অভিঞ্জতা আছে। তবে আপনি আপনার ব্লগারে রান্নার রেসিপি গুলি শেয়ার করতে পারেন। আপনার যে কোনো বিষয়ে অভিঞ্জতা আপনি কাজে লাগাতে পারেন। আপনি চাইলে একটি ব্লগেই বিভিন্ন ধরনের জিনিসের অভিঞ্জতা শেয়ার করতে পারবেন। যেমন একটি ব্লগারেই ভ্রমণ, রান্না-বান্না, খবর ইত্যাদি।

ব্লগার কাজ করে কিকরে- ব্লগার কাজ করে ফেসবুকের মতন। আপনি যেরকম ফেসবুকে পোষ্ট করেন। এটাতেও ঠিক সেরকম করে লিখতে হবে। আর আপনাকে ইউনিক কিছু আনতে হবে যাতে লোকে পড়ে। লোকে পড়লেই আপনি টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

ব্লগারে রোজগার হয় কিকরে- ব্লগারে লেখা শুরু করবার পর যখন ১০০০ ভিউজ কমপ্লিট হয় তখন আপনি আপনার ব্লগার সাইট গুগল অ্যাডসেন্স এর জন্য পাঠাবেন। সেখান থেকে আপনার ব্লগার সাইটটি  ভেরিফায়েড হয়ে গেলে আপনি আপনার পোষ্টে গুগল অ্যাড লাগাতে পারবেন যার ফলে আপনার রোজগার হবে।

বিষয়টির শুরু থেকে শেষটা অনেকটা জটিল, আপনি চাইলে পোষ্টের নীচে কমেন্ট করতে পারেন তবে আমি ধাপে ধাপে ব্লগারের ওপর পোষ্ট করবো যাতে আপনারা ব্লগার সাইট খুলে ইনকাম করতে পারেন।

(খ) ইউটিউব- ইন্টারনেটের গুরুদেবকে কে না চেনে। আপনেরা খুব সহজে ইউটিউবে একটি চ্যালেন খুলে টাকা ইনকাম করতে পারেন। তারজন্য আপনার থাকতে হবে প্রচুর ধৈর্য্য ক্ষমতা। কারণ ৪৮ হাজার ঘন্টা ও ১০০০ সাবক্রাইব খুব সহজ জিনিস নয়। তবে আপনি যদি ইউনিক কিছু দেন তবে হয়তো এই গন্ডিটি পার করতে আপনার বেশি সময় লাগবে না।

আর হ্যাঁ আপনি চাইলে একটি ব্লগার সাইটে বিভিন্ন রকম কনটেন্ট দিতে পারেন। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী একটি ইউটিউব চ্যালেনে একই ক্যাটাগরির কনটেন্ট থাকা আবশ্যক, নাহলে ৪৮ হাজার ঘন্টা হোয়াচটাইম হয়ে যাবার পরও মনিটাইজেশন কিন্তু হবে না।

আপনি যদি ইউটিউব নিয়ে আগ্রহী থাকেন তবে পোষ্টের নীচে কমেন্ট করে জানান আমি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতিটা ছোটো ছোটো ব্যপার নিয়ে আলোচনা করবো। আজ এপর্যন্তই। দেখা হচ্ছে পরের পোষ্টে। সমস্ত খবর সবার আগে পেতে যুক্ত হন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে – WhatsApp