স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড কি?

সমস্ত ছাত্র-ছাত্রীর উচ্চশিক্ষার লক্ষ্যে পশ্চিবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চালু করেছে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের সুবিধা। এর মধ্যে দিয়ে যে কোনো ছাত্র-ছাত্রী স্বল্প সুদে  ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবে। যা বর্তমান সময়ে ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে খুবই উপযোগী হতে চলেছে। 

কারা এই ক্রেডিট কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবে?

দশম শ্রেনী পাশ করা যে কোনো ছাত্র-ছাত্রী এই ক্রেডিট কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবে। অবশ্য তাকে পশ্চিমবঙ্গের নাগরিক হতে হবে।

এই ক্রেডিট কার্ডে আবেদন করবার জন্য বয়স সীমা কত?

নোটিশ অনুযায়ী এই ক্রেডিট কার্ডে আবেদন করবার বয়সসীমা ৪০ বছর।


student%2Bcredit%2Bcard%2Bapply%2Bonline


স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডএ আবেদন করবেন কি করে?

এই কার্ডের জন্য খুব সাধারন ভাবে মাত্র কয়েকটি স্টেপ ফলো করে আপনি আবেদন করতে পারবেন। সমস্ত স্টেপ গুলো পর পর নীচে দেওয়া রইলো।

প্রথমতঃ- সবার প্রথমে আপনাকে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। রেজিষ্ট্রেশন করবার জন্য ক্রেডিট কার্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট www.wbscc.wb.gov.in গিয়ে “Student Registration” এ ক্লিক করতে হবে এবং যে পেজটি খুলবে তাতে নিজের নাম, আধার নাম্বার, ঠিকানা, কোন কলেজে পড়েন, মোবাইল নাম্বার, পাসওয়ার্ড এরকম কিছু তথ্য পূরণ করে “Register” বাটনে ক্লিক করতে হবে। তারপর আপনার মোবাইলে একটি ওটিপি যাবে যেটা নির্দিষ্ট জায়গায় বসিয়ে ভেরিফাই করতে হবে। এবং আপনার রেজিস্ট্রেশন সম্পুর্ণ হবে। তারসঙ্গে আপনার মোবাইলে একটি মেসেস যাবে তাতে আপনার রেজিস্ট্রেশন নাম্বার দেওযা থাকবে। 

দ্বিতীয়তঃ- এরপর আবারও আপনাকে www.wbscc.wb.gov.in সাইটে যেতে হবে। এবার “Student Login” এ ক্লিক করতে হবে এবং ম্যাসেজ এ পাওয়া রেজিষ্ট্রেশন নাম্বার ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগিন করে নিতে হবে।

তৃতীয়তঃ- তারপর “Apply Now” অংশে ক্লিক করে আপনাকে মূল ফর্মে যেতে হবে। সেখানে আপনার যাবতীয় তথ্য ফিলাব করতে হবে। আপনার যদি প্যানকার্ড না থাকে তবে “Download Undertaking Documents” এ ক্লিক করে একটি ফর্ম ডাউনলোড করতে হবে এবং সেটি ফিলাব করে আপলোড করতে হবে। (কোথায় আপলোড করবেন সেটা পরে আলোচনা করা রয়েছে)

চতুর্থতঃ- এরপর আপনাকে ডকুমেন্স আপলোড করতে হবে। প্রথমেই বলে রাখি, ছবি  আপলোডের ক্ষেত্রে ছবির সাইজ ২০ থেকে ৫০ কেবির মধ্যে রাখতে হবে এবং jpeg বা jpg ফর্মেট এ হতে হবে। 

এবার চলে আসি কি কি ডকোমেন্স আপনাকে আপলোড করতে হবে, 

ক) আবেদনকারীর ছবি।

খ) আপনি যাকে অভিভাবক হিসাবে রাখবেন তার ছবি। 

গ) আবেদনকারীর সই।

ঘ) অভিভাবকের সই।

ঙ) আবেদনকারীর আধারকার্ড। (এটি pdf ফর্মেটে আপলোড করতে হবে, যার সাইজ হতে হবে ৫০ থেকে ৪০০ কেবির মধ্যে।)

চ) অভিভাবকের আধার কার্ড বা ভোটার কার্ড।

ছ) স্কুল বা কলেজের ভর্তির রিসিভ কপি।

জ) স্টুডেন্ট প্যান কার্ড। (প্যান কার্ড না থাকলে যে ফর্মটি ডাউনলোড করেছিলেন সেটি ফিলাব করে এখানে আপলোড করবেন।)

ঝ) অভিভাবকের প্যানকার্ড। (অভিভাবকের প্যানকার্ড না থাকলে সেই ফর্মটি ডাউনলোড করে ফিলাব করে আপলোড করতে হবে।)

ঞ) টিউশন ফ্রীর রিসিভ কপি। 

এরপর নীচে থাকা দুটো চেক বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে   “Save & Continue” তে ক্লিক করতে হবে। এরপর আপনার সামনে আগের পেজে দেওয়া তথ্য গুলো আসবে সেগুলো মিলিয়ে নিয়ে “Submit Application” এ ক্লিক করুন। 

পঞ্চমতঃ- এবার আপনার ড্যামবোর্ডে আপনার স্ট্যাটাস “Application Submitted to HOL” দেখাবে। যার মানে আপনার এপ্লিকেশনটি আপনার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাছে পাঠানো হয়েছে। 


এই পাঁচ টি পয়েন্ট ফলো করে আপনি খুব সহজে ঘরে বসে স্টুডেন্ট কেডিট কার্ডের জন্য যোগাযোগ করতে পারেন


★ সরকারি – বেসরকারি যে কোনো চাকরির খবর সবার আগে পেতে; ★ সমস্ত স্কলারশিপের আপডেট সবার আগে পেতে; ★ বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের আপডেট সবার আগে পেতে; ★ ঘরে বসে নিজের ওয়েবসাইট বানিয়ে তার মাধ্যমে টাকা ইনকাম করতে; ★ সমস্ত রকম প্রিমিয়াম অ্যাপ ফ্রীতে পেতে আজই যুক্ত হন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে – WhatsApp