Twelve-Causes-of-sleeping-problems-and-its-solutions

আমাদের মধ্যে এমন অনেকেই আছে যারা রাতে ঘুমোতে পারেন না, এপাস ওপাস ছট-ফট করে। সে চিন্তায় হোক বা অন্য কিছুর কারনে। আজ আমরা বেশ কিছু কারণ নিয়ে আলোচনা করবো যেগুলোর কারনে সাধারনত ঘুম আসে না এবং সহজে ঘুম আসার বিষয় নিয়েও আলোচনা করবো। সবার প্রথমে জানিয়ে রাখি এই পোষ্টে যে কারণ ও প্রতিকার গুলির কথা বলা হয়েছে সেগুলো কোনোটাই আমার নিজের মনগড়া নয়। সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে বিখ্যাত কিছু ডাক্তারের লেখা আর্টিকেল থেকে। তবে চলুন শুরু করা যাক।

ঘুম না আসাক কারন ও প্রতিকার:-
(ক) সবচেযে গুরুত্বপূর্ণ এখানে যে পয়েন্টটির কথা বলা হয়ে থাকে সেটি হলো দুঃশ্চিন্তা। বহু মানুষের ঘুমানোর সময় বিভিন্ন দুঃশ্চিন্তা মাথায় আসতে থাকে ফলে তার ঘুম আসে না। এটি সমাধানের উপায় হলো আপনি আপনার দুঃশ্চিন্তার কারনগুলি খুঁজে বের করুন এবং সেগুলোকে প্রতিকার করবার চেষ্টা করুন।

(খ) আপনি যদি পানীয় খাবার খেতে বেশি পছন্দ করেন তবে এগুলোকে এড়িয়ে চলতে হবে যেমন চা-কফি ইত্যাদি। এগুলোর মধ্যে ক্যাফিন নামে একপ্রকারের দ্রব্য থাকে যা মানুষের ঘুমে বাধার সৃষ্টি করে। তাই ঘুমোতে যাবার আগে এগুলো না খাওয়াই ভালো। ঘুমোতে যাবার আগে গরম দুধ খেতে পারেন, কারন দুধে থাকে টিপটোফেন যা আমাদের গভীর ঘুম হতে সাহায্য করে।

(গ) ঘুম আনার আরেকটি সহজ পদ্ধতি হলো ঘুমোতে যাবার আগের এক ঘন্টা রিল্যাক্স করা। এই সময় আপনি আপনার পছন্দের কাজ যেমন বই পড়া, গান শোনার মত কাজ গুলো করতে পারেন। ঘুমোতে যাবার আগে যে কাজগুলো করবেন না, টিভি দেখা, মোবাইল ঘাঁটা ইত্যাদি। কারন এগুলোর আলো আপনার মস্তিস্ককে সজাক রাখতে সাহায্য করে।

(ঘ) যাদের শুয়ে থাকার পরও ঘুম আসে না তাদের জন্য এই পয়েন্টটি। আপনার যদি ঘুমোতে গেলে ঘুম না আসে তবে শুয়ে না থেকে আপনার পছন্দমত কাজ গুলো করতে পারেন। বিছানায় তখনি শুতে যাবেন যখন আপনার ঘুম আসবে।

(ঙ) আমরা এমন অনেকেই আছি যারা দিনের বেশিরভাগটা সময় বিছানা ব্যবহার করি। চিকিৎসের মতে ঘুমের সমস্যা এড়াতে হলে ঠিক ঘুমোতে যাবার সময়‌ই বিছানা ব্যবহার করুন। অন্যসময় বিছানাকে ব্যবহার না করাই ভালো।

(চ) শুতে যাবার পর যদি আপনার বার বার ঘড়ি দেখার অভ্যেস থাকে তবে এই অভ্যেস টি দূর করতে হবে। ঘুমোতে যাবার পর ঘড়ি দেখা চলবে না।

(ছ) আপনার যদি রাতে ঘুমের সমস্যা থেকে থাকে তবে রাতের খাবার ঘুমোনোর ৩ থেকে ৪ ঘন্টা আগে সেড়ে নিন। ঘুমোতে যাবার সময় রাতের খাবার খেলে তা ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।

(জ) আপনার যদি ধুমপানের অভ্যেস থাকে তবে ঘুমের একঘন্টা আগে সেটি সেরে নেবেন ঘুমোতে যাবার পর বা ঘুমোতে যাবার কিছুক্ষন আগে ধুমপান করবেন না।

(ঝ) প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমান কাজ করলে আপনার ঘুমের সমস্যা চলে যেতে পারে। আপনি যদি একদমই কাজ না করেন তবে এটি আপনার শরীরে ঘুমের সমস্যার উৎপত্তি করতে পারে। গোটাদিন কাজ করলে আপনার শরীর ক্লান্ত হবে এবং শোয়ার সাথে সাথেই আপনার ঘুম আসবে।

(ঞ) ঘুমোনোর একটা নির্দিষ্ট টাইম ঠিক করুন। একটি নির্দিষ্ট টাইমে শুলে এবং একটি নির্দিষ্ট টাইমে ঘুম থেকে উঠলে আপনার শরীর একটি রুটিনের মধ্যে আবদ্ধ হয়ে যাবে। ফলস্বরূপ পরের দিনগুলিতে আপনার একই টাইমে ঘুম ধরবে।

(ট) আপনার যদি ঘুমের সমস্যা থেকে থাকে তবে দিনের বেলা ঘুমোনো বর্জন করতে হবে। কারন এটি রাতে ঘুম না আসার একটি বড়ো কারন।

(ঠ) এবং মেন পয়েন্টটি হলো একটি সূত্র যা আপনার ঘুম আনতে সাহায্য করবে। সেটি জানতে পাশের লিঙ্কটিতে ক্লিক করুন। – রাতে ঘুমের সমস্যা হচ্ছে এই ব্যায়ামটি দু-চার বার করুন

সমস্ত খবর সবার আগে পেতে ডানদিকের নীচে থাকা টেলিগ্রাম আইকনে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত হন।