Know-the-highest-limit-of-cash-transaction

নগদ লেনদেনের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারের আয়কর দফতর নানান রকম আইন পাস করেছে। নগদ লেনদেন ভারতীয় অর্থনীতিতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আবার একটি কালো টাকা সাদা করার একটি উপায়। তাই কালো টাকা আটকাতে কেন্দ্রীয় সরকারের আয়কর দফতর নগদ লেনদেনের ক্ষেত্রে নানান রকম সীমা নির্ধারণ করেছে। এই নির্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করলে অর্থাৎ বেশি পরিমাণ নগদ টাকা নিলে বা দিলে সেই টাকার পরিমাণের ওপর ১০০ শতাংশ পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।

ভারতের আয়কর আইনের ২৬৯ একটি ধারার আওতায়, নগদ লেনদেনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সীমা ২ লাখ। অর্থাৎ, সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পর্যন্ত নগদ লেনদেন করা যাবে। এর বেশি পরিমাণে নগদ লেনদেন করা যাবেনা।

রাজ্যের গ্রন্থাগারে লাইব্রেরিয়ান পদে কর্মী নিয়োগ

অর্থাৎ কেউ যদি একবারে ২ লাখের বেশি টাকা দিয়ে কোনো জিনিস ক্রয় করে তবে তাকে অবশ্যই চেক, ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ড ও ব্যাঙ্ক ট্রান্সফার এর মাধ্যমে বিল মেটাতে হবে। এছাড়াও কারোর কাছ থেকে, এমনকী, পরিবারের কারোর থেকে টাকা নেওয়ার বা দেওয়ার ক্ষেত্রেও এই নিয়ম মেনে চলতে হবে। কোন অনুষ্ঠানে উপহার গ্রহন বা দান করার ক্ষেত্রেও এই নিয়মটি মেনে চলতে হবে। অর্থাৎ ২ লাখ টাকার বেশি নগদ উপহার গ্রহন বা দান করা যাবে না।

আয়কর ছাড় পেতে অনেকেই স্বাস্থ্য বীমা কেনেন। সেক্ষেত্রেও বীমার প্রিমিয়াম নগদে মেটালে ৮০ডি ধারার অধীনে ছাড় পাবে না। তাই ব্যাঙ্কিং সিস্টেম এর মাধ্যমেই প্রিমিয়াম দেওয়া উচিত।

কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা চেনা কারোর কাছ থেকে নগদ ঋণ নেওয়ার বা ঋণ মেটানোর ক্ষেত্রেও নগদ ঋণ এর মোট পরিমাণ ২০ হাজারের বেশি হলে চলবে না। ২০ হাজার টাকার বেশি হলে সেটি চেক, ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ড ও ব্যাঙ্ক ট্রান্সফার এর মাধ্যমে করতে হবে।

সম্পত্তি কেনাবেচার ক্ষেত্রেও নগদে লেনদেন সর্বাধিক ২০ হাজার টাকা হতে হবে। অগ্রিম পেমেন্ট করার ক্ষেত্রেও ২০ হাজারের বেশি লেনদেন করা যাবে না। কোনো ব্যক্তিকে একদিনে নগদ প্রদান করার ক্ষেত্রেও স্ব-নিযুক্ত করদাতারা ১০ হাজার টাকার বেশি ছাড় দাবি করতে পারবে না।

পোষ্টটি ভালোলাগলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করুন এবং এরকম আর‌ও তথ্য পেতে আজই যুক্ত হন আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে