How-to-save-money-from-excessive-daily-expenses

কথায় আছে, যতো আয়, ততো ব্যয়। এমনিতেই সারা মাসের খরচ সামলে মাসের শেষে এসে খরচ সামাল দেওয়া কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে সাধারণ মানুষের। তার ওপর আবার টাকা জমানোর কথা উঠলে স্বভাবতই কপালে ভাঁজ পড়ে সাধারণ মানুষের। আর যেখানে তেল কিংবা রান্নার গ্যাসের মতো নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম ক্রমবর্ধমান, সেখানে সেভিংস করা অর্থাৎ টাকা জমানো যথেষ্টই কঠিন ব্যাপার।

কিন্তু ভবিষ্যৎ সুন্দর ও নিশ্চিত করতে সঞ্চয় করাটা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাই আয় ও ব্যয়ের মধ্যে একটি ভারসাম্য বজায় রাখা দরকার। বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু ছোটো ছোটো পরিবর্তন করলে কিংবা ছোটো ছোটো কিছু উদ্যোগ নিলে লাগাম টানা যাবে অতিরিক্ত খরচে। যা বাঁচাতে পারে ভবিষ্যতের অর্থ সংকট থেকে। চলুন জেনে নেওয়া যাক সেই পদ্ধতিগুলি।

(১) মাসিক আয় ও ব্যয়ের লিস্ট করে ফেলা:- মাসের শুরুতেই একটি লিস্ট করে ফেলতে হবে যে সারা মাসে কি কি দরকারি জিনিস কিনতে হবে, কোথায় কোথায় খরচ করতে হবে এবং কোন খাতে কতো খরচ হবে। এই খসড়া অনুযায়ী সারা মাসে খরচ করলে এবং লিস্ট বহির্ভূত কোনো অপ্রয়োজনীয় খরচ না করলে অতিরিক্ত খরচ কম হবে। এতে জীবনযাত্রার ওপর কোনো প্রভাব পড়বে না আবার কিছুটা সঞ্চয়ও হবে।

আরও পড়ুন:- Post Office Recruitment 2022 Apply Online

(২) অত্যধিক দামি জিনিস এর পরিবর্তে বিকল্প জিনিস কেনা:- অত্যধিক দামি জিনিস এর পরিবর্তে তার বিকল্প হিসাবে একই মানের তুলনামূলক কম দামি জিনিস কিনলে কিছুটা সাশ্রয় হবে।

(৩) বাইরের খাবার না খেয়ে বাড়ির খাবার খাওয়া:- বাইরের খাবার খাওয়ার জন্য প্রায়ই নানান নামিদামি রেস্টুরেন্ট কিংবা দোকান থেকে খাওয়া হয়। অথচ এই অভ্যাস পরিবর্তন করে বাইরে খাবারের পরিবর্তে বাড়ির খাবার খেলে একদিকে যেমন অনেকটা সাশ্রয় হবে অন্যদিকে স্বাস্থ্যও ভালো থাকবে।

(৪) দোকান পরিবর্তন করা:- যে জায়গা থেকে বরাবর কেনাকাটা করা হয়, তা পরিবর্তন করে অন্য জায়গা বেছে দেখা যেতে পারে। অনেক সময় ওই একই জিনিস অন্য দোকানে অনেক কম দামে মেলে। এভাবেও কিছু অতিরিক্ত টাকা সাশ্রয় হবে।

(৫) সঠিক দরদাম করে নেওয়া:- কোনো জিনিস কেনার আগে সঠিক দরদাম করে নিতে হবে। সঠিক দরদাম করলে কোন জিনিস সঠিক দামে পাওয়া যায়। এতে অতিরিক্ত খরচ হয় না।

আরও পড়ুন:- Cancellation of 16 Lakh Ration Card from Bengal: More Updates

(৬) নগদে পেমেন্ট না করে অনলাইনে পেমেন্ট করা:- যেখানে অনলাইনে পেমেন্ট করার ব্যবস্থা রয়েছে সেখানে নগদে পেমেন্ট না করে অনলাইনে পেমেন্ট করলে অনেকটা ছাড় পাওয়া যায়। এতেও কিছু পয়সা সাশ্রয় হবে।

(৭) অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র না কেনা:- অপ্রয়োজনীয় কিংবা অহেতুক জিনিসপত্র কেনার অভ্যেস বদলাতে হবে। এতে অনেকটা পরিমাণ সঞ্চয় হয়।

পোষ্টটি ভালোলাগলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করুন এবং এরকম আর‌ও তথ্য পেতে আজই যুক্ত হন আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে