Follow-these-five-rules-and-reduce-electric-bill

একেই দ্রব্যমূল্যের দামবৃদ্ধিতে কপালে ভাঁজ সাধারণ মানুষের। তারমধ্যে যদি মোটা অঙ্কের ইলেকট্রিক বিল মেটাতে হয়, তবে তো কথাই নেই। অথচ বিদ্যুৎ অর্থাৎ ইলেকট্রিসিটির মতো অতি প্রয়োজনীয় জিনিস, যা ছাড়া বর্তমান জীবনযাপন অচল; সেই ইলেকট্রিসিটিকে বাদ দেওয়াও যাবেনা। তাই উপায় একটাই। ইলেকট্রিসিটি সাশ্রয় করে ইলেকট্রিক বিল এর পরিমাণ কমানো। চলুন জেনে নেওয়া যাক কি কি উপায়ে সাশ্রয় করে সঞ্চয় করা যাবে (Electric Bill)।

(১) বাড়িতে ফ্রিজ রাখার সঠিক স্থান নির্বাচন করা:- বাড়ির সঠিক স্থানে ফ্রিজে রাখলে কমতে পারে বিদ্যুৎ এর খরচ। এরজন্য ঘরের এমন জায়গায় ফ্রিজ রাখতে হবে যে জায়গায় হাওয়া বাতাস ঠিকমতো খেলে। আর ফ্রিজ থাকবে দেওয়াল থেকে অন্তত ২ ইঞ্চি দূরে। এভাবে ইলেকট্রিক বেশ খানিকটাই সাশ্রয় সম্ভব।

(২) বিদ্যুতের মেইন স্যুইচ অর্থাৎ পাওয়ার স্যুইচ এর সঠিক ব্যবহার করা:- কেবলমাত্র ইলেক্ট্রিক্যাল ডিভাইসের স্যুইচ বন্ধ করে রাখলেই হবে না, বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে গেলে বন্ধ রাখতে হবে মেইন স্যুইচ। মেইন স্যুইচ বন্ধ রাখলে অর্থাৎ পাওয়ার স্যুইচ এর সঠিক ব্যবহার করলে বাড়তি ইলেকট্রিক এর খরচ বাঁচানো সম্ভব।

(৩) সঠিক ডিজাইনের স্যুইচ বোর্ড ব্যবহার করা:- সঠিক ডিজাইনের স্যুইচ বোর্ড ব্যবহার করতে হবে, যার সঙ্গে প্রত্যেকটি ডিভাইসের সাথে সাথে পাওয়ার স্যুইচ‌ও বন্ধ করা যায়। এটি ইলেকট্রিসিটি সাশ্রয় করতে সাহায্য করে।

(৪) সঠিক এসি বেছে নিতে হবে এবং এসির সঠিক ব্যবহার করতে হবে:- যারা গরমের হাত থেকে বাঁচতে বাড়িতে এসি লাগায়, তারা যদি ফাইভ স্টার রেটিং এসি ব্যবহার করে এবং সেকেন্ড উইন্ডোর সঙ্গে সঙ্গে স্প্লিট এসি ব্যবহার করে তাহলে ইলেকট্রিসিটি খরচ অনেকটাই বাঁচবে। এছাড়াও এসির টেম্পারেচার ২৪ ডিগ্রী রাখতে হবে। এক্ষেত্রেও বাড়তি ইলেকট্রিক খরচ কমবে।

(৫) পুরোনো মডেলের ফ্যান বদলে ফেলতে হবে:- পুরোনো মডেলের ফ্যান অতিরিক্ত বিদ্যুৎ খরচ করে (৯০ ওয়াট পর্যন্ত)। স্টাইফেন পুরনো হয়ে গেলে তা বদলে ফেলে অনেকটাই কমবে বিদ্যুৎ খরচ। এছাড়াও অকারণে ফ্যান চালিয়ে না রেখে, কোনো প্রয়োজন না থাকলে ফ্যানের স্যুইচ বন্ধ করে রাখতে হবে।

এইরকম আরও নানান গুরুত্বপূর্ণ আপডেট পেতে আমাদের পেজটি ফলো করুন এবং নীচের ডানদিকের আইকনে ক্লিক করে আজই যুক্ত হোন আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে