Know-the-traffic-rules-and-regulations

অনেকেই গাড়ি, বাইক চালানোর সময়ে ট্রাফিক আইন (traffic rules) মানেন না। কেউ জেনেশুনে, কেউ না জেনেই এমন ভুল করে থাকেন, যেমন:- গাড়ি চালানোর সময়ে অনেকেই সিট-বেল্ট লাগাতে ভুলে যান। আবার কেউ কেউ বাইক চালানোর সময় হেলমেট পরেন না। এই সমস্ত ক্ষেত্রে পুলিশ আপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারেন। এমনকি আপনার গাড়ির আলো, হর্ন এইসব প্রয়োজনীয় জিনিস যদি ঠিকঠাক কাজ না করে তাহলেও আপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে পুলিশ।

অনেক সময় রাস্তায় গাড়ি দাঁড় করাতে দেখা যায় ট্রাফিক কনস্টবলদের। শুধু তাই নয়, গাড়ির চাবিও খুলে নেন তারা, এই ঘটনা ট্রাফিক আইন বিরুদ্ধ। রাস্তায় আইন ভাঙ্গার কারনে একজন কনস্টেবল আপনাকে কখনই গ্রেফতার করতে পারেন না। এমনকি আপনার গাড়ি আটকে রাখতে পারেন না তারা। এই সমস্ত তথ্য না জানার কারণে অনেকেই এই ধরনের পরিস্থিতিতে ঘাবড়ে যান। ট্রাফিক পুলিশ গাড়ি অথবা বাইক দাঁড় করালে কখনও ঘাবড়াবেন না। এই সব সমস্যা থেকে বাঁচতে আমাদের অবশ্যই ট্রাফিক নিয়মাবলি জানা দরকার । নিচে এই সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো :-

• একজন ট্রাফিক কনস্টেবলের এক্তিয়ার:-

১৯৩২ সালের মোটর ভেইকেল আইন(motor vehicle act) অনুসারে, ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন করা কোনো‌ ব্যাক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা বা ফাইন করতে পারেন শুধুমাত্র ASI পদের পুলিশ অফিসার। সেক্ষত্রে ট্রাফিক কনস্টেবলরা শুধুমাত্র সাহায্য করতে পারেন উচ্চপদস্থ অফিসারকে অর্থাৎ ASI কে। গাড়ি অথবা মোটরসাইকেল থেকে চাবি খুলে নেওয়া একজন‌ কনস্টেবলের এক্তিয়ারের মধ্যে পরে না, এমনকি চালকের সাথে কোনো খারাপ ব্যবহার‌ও করতে পারবেন না তারা। যদি কখনও কোনো ট্রাফিক কনস্টেবল রাস্তায় আপনার সাথে খারাপ ব্যবহার করে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে আপনি ব্যবস্থা বা অভিযোগ জানাতে পারেন।

• যে যে বিষয় গুলো আপনার জানা দরকার:-

(১) পুলিশের কাছে যদি চালান বই অথবা ই-চালান মেশিন না থাকে, তবে কোনোমতেই আপনার চালান কাটতে পারবে না পুলিশ।

(২) ট্রাফিকের গায়ে উর্দি না থাকলে তিনি আপনাকে কোনোভাবেই জরিমানা করতে পারবেন না। তার পোষাকে অবশ্যই থাকতে হবে নাম ও বাকল নম্বর। পোষাক পরে না থাকলে আইডেন্টিটি কার্ড থাকতে হবে।

(৩) ট্রাফিকের হেড কনস্টেবল আপনাকে সর্বচ্চ ১০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করতে পারেন ,তার থেকে বেশী নয়। জরিমানার জন্য ASI অফিস্যারের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।

কর্তব্যরত কোনো কনস্টেবল অথবা অফিসার যদি আপনার মোটরসাইকেল অথবা গাড়ি থেকে চাবি খুলে নেয় তাহলে সেই ঘটনার ভিডিও রেকর্ড করুন এবং লোকাল থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করুন। প্রমান হিসেবে ভিডিওটি দেখান। গাড়ি চালানোর সময় ড্রাইভিং লাইসেন্স ও পলিউশন সার্টিফিকেট সাথে রাখুন। আপনার জরিমানা হলে, যদি হাতে টাকা না থাকে তাহলে পরে জরিমানা দিতে পারবেন। তবে সেই ক্ষেত্রে অফিসার আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্সটি জমা নিতে পারেন।

এই সংক্রান্ত আরও নানান গুরুত্বপূর্ণ আপডেট পেতে আমাদের ওয়েবসাইটটি ফলো করুন এবং নীচের ডানদিকের আইকনে ক্লিক করে আজই জয়েন হোন আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে