1-crore-ration-cards-are-suspended-across-the-state-Is-your-ration-card-safe

আপনি কি জানেন রাজ্যজুড়ে প্রায় ১ কোটি রেশন কার্ড সাসপেন্ড করা হয়েছে খাদ্য দপ্তরের তরফে? এর মধ্যে আপনারা রেশন কার্ড নেই তো? এ ব্যাপারে যদি না জেনে থাকেন তবে এই খবরটি আপনার জন্য। রাজ্যের রেশন দেওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্ক যেনো থামতেই চাইছে না। বিগত ১ বছর ধরে প্রায় ১ কোটি ৫৮ লক্ষ ২৯ হাজার ১৮২ বৈধ রেশন কার্ড সাসপেন্ড করা হয়েছে। স্বভাবতই এভাবে রেশন বাতিল হওয়ায় ক্ষুব্ধ গ্রাহকেরা। ইতিমধ্যেই খাদ্য দপ্তরের কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে যে, তাদের আধিকারিকদের উদাসীনতার কারণেই গ্রাহকদের এভাবে ভুক্তভোগী হতে হচ্ছে। আর তাতেই রাজ্যের রেশন দেওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্ক ফের সাধারণ মানুষের সামনে উঠে এসেছে। আর আজ আমরা আলোচনা করতে চলেছি, কেনো এই গ্রাহকদের রেশন কার্ড বাতিল করা হয়েছে এই সম্পর্কিত তথ্য (Ration card)।

• তবে চলুন এই রেশন কার্ড সাসপেন্ড হওয়া সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক:-
ডিলারদের মত অনুসারে, যে সকল গ্রাহকদের রেশন কার্ড বাতিল করা হয়েছে তাদের আধার কার্ড রয়েছে, আধার কার্ডের নম্বর দিয়ে রেশন কার্ডের সঙ্গে সংযুক্তিকরণ করাও সম্পন্ন হয়েছে। তা সত্ত্বেও প্রায় ১ কোটি বৈধ রেশন কার্ডকে বাতিল করা হয়েছে। আর এই নিয়েই বারবার প্রশ্ন উঠছে। খাদ্য দপ্তর সূত্রের খবর, বর্তমানে আঙুলের ছাপ নেওয়ার প্রক্রিয়ার বদলে আঙ্গুলের ছবি তোলার প্রক্রিয়া চালু করা হচ্ছে। গ্রাহকদের সম্পর্কে সমস্ত সঠিক তথ্য পেতেই এই পদ্ধতি চালু করা হচ্ছে বলে দাবি খাদ্য দপ্তরের। কেন্দ্রের তরফে সমস্ত রাজ্যের খাদ্য দপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দ্রুত এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য। ইতিমধ্যেই সমস্ত গ্রাহকদের সঠিক তথ্য সংগ্রহের কাজ জোর কদমে শুরু করা হয়েছে। আর এই নতুন পদ্ধতি চালু করতেই নতুন বিপত্তি। এই নতুন প্রক্রিয়া চালু করার ফলেই প্রায় ১ কোটি গ্রাহকের হাতের ছাপ না মেলায় স্বভাবতই বাতিল হয়ে গেছে সেই সকল গ্রাহকদের রেশন কার্ড। ফলত ওই সকল গ্রাহকদের রেশনও বন্ধ হয়ে গেছে। যার জেরে বিপত্তির মুখে পড়েছে গ্রাহকরা।

বিনা ইনভেস্টমেন্টে শুরু করুন এই ব্যবসা, মাসে আয় লক্ষাধিক

ডিলারদের তরফে দাবি করা হয়েছে যে, একাধিকবার তারা খাদ্য দপ্তরকে এবিষয়ে অভিযোগ জানিয়েছেন। যদিও ডিলারদের এই সমস্ত দাবিকে নাকচ করেই খাদ্য দপ্তরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, আঙুলের ছবি নেওয়ার ফলে গ্রাহকদের সমস্ত তথ্য সম্পর্কে স্বচ্ছতা থাকবে এবং পদ্ধতিও হবে অত্যন্ত সহজ। কিন্তু তার জন্য প্রয়োজন সিস্টেম আপডেট করা। আর তাতেই বিপত্তির মুখে পড়তে হয়েছিলো খাদ্য দপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে। যদিও প্রথমদিকে সমস্যা হলেও এখন আর কোনো সমস্যা নেই বলেই দাবি ওই আধিকারিকের।

যদিও খাদ্য দপ্তরের এই দাবি মানতে নারাজ ডিলাররা। তাদের দাবি তাদের সামনে গ্রাহকদের বারবার সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। এই সমস্যাগুলির ব্যাপারে দপ্তরে অভিযোগ জানালেও মেলেনি কোনো সমাধান। এখনও পর্যন্ত গ্রাহকদের বারবার একই সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। অল ইন্ডিয়া ফেয়ার প্রাইস শপ ডিলারস ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বম্ভর বসু জানিয়েছেন যে, মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে সাধারণ জনগণের জন্য খাদ্যের ব্যবস্থা করা হলেও খাদ্য দপ্তরের বিভিন্ন আধিকারিকদের উদাসীনতার কারণে বারবার সমস্যায় পড়তে হচ্ছে গ্রাহকদের। বারবার চেষ্টা সত্ত্বেও তাদের আঙ্গুলের ছাপ মিলছে না। কিন্তু তাদের আধার কার্ড রয়েছে, সাথে করা রয়েছে বায়োমেট্রিকও।

এইরকম আরও নানান গুরুত্বপূর্ণ আপডেট পেতে আমাদের পেজটি ফলো করুন এবং নীচের ডানদিকের আইকনে ক্লিক করে আজই যুক্ত হোন আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে