Schools-and-colleges-may-be-closed-again-for-one-week-speculation-arise

রাজ্যে আবার স্কুল-কলেজ বন্ধ হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। করোনা সংক্রমণ অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ার ফলেই এই আশঙ্কা করা হচ্ছে। গত একসপ্তাহে রাজ্যে করোনা সংক্রমণ দ্বিগুনেরও বেশি হয়ে গিয়েছে। এমন অবস্থায় ফের লকডাউনের মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। আর বরাবরই তার প্রভাব এসে পড়তে পারে রাজ্যের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ওপরে। কলকাতার দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা রীতিমতো উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে (West Bengal School-College closed)।

আজ ৬ই জুলাই, ২০২২ তারিখে পশ্চিমবঙ্গে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২,৩৫২ জন। আজ মোট ১৪,৪২৪ জনের করোনা টেস্ট করা হয়েছে। তারমধ্যে এতজনের Covid-19 পজিটিভ হওয়ার বিষয়টি যথেষ্ট চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত এক সপ্তাহে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা,

রয়্যাল এনফিল্ড দিচ্ছে ২ লাখ টাকার বাইক মাত্র ২২ হাজার টাকায়, এই সুযোগ হাতছাড়া করবেন না

• ৫ই জুলাই — ১,৯৭৩ জন
• ৪ই জুলাই — ১,১৪২ জন (করোনা টেস্ট কম হয়েছিল এদিন, মাত্র ৭,৪৭৮ জনের)
• ৩ই জুলাই — ১,৮২২ জন
• ২ই জুলাই — ১,৪৯৯ জন
• ১ই জুলাই — ১,৭৩৯ জন
• ৩০শে জুন — ১,৫২৪ জন
• ২৯শে জুলাই — ১,৪২৪ জন

ফলে স্পষ্টতই দেখতে পাচ্ছেন কীভাবে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ঊর্ধ্বমুখী হয়ে ২,০০০ এর সীমা অতিক্রম করে গিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এরকম জারি থাকলে তিনহাজার–চারহাজারের গন্ডি স্পর্শ করতেও বেশি দেরী নেই। এর পাশাপাশি করোনা পজিটিভিটি রেটও বহুগুন বেড়েছে। বর্তমানে এই রেট এসে দাড়িয়েছে ১৬.২৪ শতাংশে। যেখানে জুন মাসের শুরুতে দৈনিক কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা মাত্র ১০০ থেকে ২০০ এর মধ্যে ছিলো। সেখানে গত সাত-দশ দিনে এতো বিপুল পরিমান মানুষ করোনা আক্রান্ত হওয়ায় পরিস্থিতি আবার সংকটজনক হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এই তিনটি ব্যাঙ্কে সুদের হার বাড়লো দ্বিগুন, টাকা রাখলে বিশাল লাভ

তবে এতো প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও একটি ভালো খবর হলো যে, দেশের এবং রাজ্যের প্রায় ৯০% প্রাপ্তবয়স্ক মানুষেরই করোনার ভ্যাকসিন নেওয়া রয়েছে। যা করোনা ভাইরাসের ক্ষমতাকে বহুগুন কমিয়ে দিতে পারে। তাই করোনার তৃতীয় ঢেউ এলে আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়লেও মৃত্যুহার যথেষ্ট কম থাকবে যা নিঃসন্দেহে একটি ভালো বিষয়। অনেক ডাক্তার সেই জন্য করোনার প্রকোপ বাড়লেও স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করার বিপক্ষে মত দিয়েছেন। তারা বলেছেন, Covid-19 এ দৈনিক আক্রান্ত বাড়লেও চিন্তা করার তেমন কারণ নেই। যদি মৃত্যুহার কম থাকে তাহলে লকডাউন করার কোনো দরকার নেই।

তবে দেশের নাগরিকদের অসর্তকিত ভাবে জীবনযাপন করলেও চলবে না। ইতিমধ্যেই স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফ থেকে আবার সাধারণ মানুষকে কোভিড বিধি মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। মুখে মাস্ক, হাতে স্যানিটাইজার, সাবান দেওয়ার কথা বলে আমজনতাকে সচেতন করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। মনে রাখবেন আপনার সচেতনতাই এই অতিমারীকে হারিয়ে দিতে পারে। তাই অতিরিক্ত আতঙ্কিত না হয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। সবাই সতর্ক ও সচেতন থাকুন।

সমস্ত খবর সবার আগে পেতে ডানদিকের নীচে থাকা টেলিগ্রাম আইকনে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত হন।