New-process-of-Ration-distribution-has-been-started-from-August-Find-out-now

আগস্ট মাসের শুরু থেকে পশ্চিমবঙ্গে রেশন তোলার ক্ষেত্রে নতুন একটি নিয়ম চালু হচ্ছে। এর আগে নিজের ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা মোবাইলে ওটিপি পাঠানোর মাধ্যমে রেশন তোলা যেতো। নতুন পদ্ধতিটির মাধ্যমে রেশন তোলার জন্য সামান্য কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। ইতিমধ্যেই বিহার, মহারাষ্ট্রে এই নিয়ম চালু করা হয়েছে। এবার সরকারি নির্দেশমতো পচিমবঙ্গের রেশন বন্টন প্রক্রিয়ার জন্য নতুন পদ্ধতিটি চালু করা হচ্ছে। তাহলে চলুন এবার জেনে নেওয়া যাক, রেশন বন্টনের এই নতুন পদ্ধতিটি সম্পর্কে (Ration Card Rule)।

• রেশন তোলার জন্য নতুন নিয়মটি কী?
আপনি যদি রেশন সামগ্রী তুলতে চান তাহলে এবার থেকে ই-পস মেশিনে (ইলেক্ট্রনিক পয়েন্ট অফ সেল মেশিন) আপনার শুধু আঙুলের ছাপ দিলেই হবে না, নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে এবার থেকে এই মেশিনে আপনার আঙুলের ছাপ স্ক্যান করার পাশাপাশি ফিঙ্গারপ্রিন্টের ছবি উক্ত মেশিনে ধরে রাখা হবে। মূলত আরও নির্ভুল ও স্বচ্ছ ভাবে যাতে রেশন সামগ্রী বন্টন প্রক্রিয়া কার্যকর করা যায় সেই উদ্দেশ্যে UIDAI (ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অথরিটি অফ ইন্ডিয়া) -এর তরফ থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আপনার আঙুলের ছাপের ছবি ধরে রাখার ফলে অন্য কেউ আপনার রেশন কার্ড দিয়ে রেশন তুলতে পারবেন না। ফলে আপনার জন্য বরাদ্দ রেশন সামগ্রী নিরাপদ থাকবে।

এই ট্রিকসটি কাজে লাগিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ এর ডিলিট করে দেওয়া মেসেজ দেখুন এক মিনিটে

প্রসঙ্গত, এর আগে ই-পস মেশিনের মাধ্যমে শুধু গ্রাহকদের আঙুলের ছাপ (Fingerprint) স্ক্যান করা হতো, এবার থেকে সেই স্ক্যানের ছবি মেশিনে ধরে রাখার জন্য সফটওয়্যার আপডেটের প্রয়োজন হবে। উপরমহলের নির্দেশ মতো সেই সফটওয়্যার আপডেট করতে হবে ই-পস মেশিনটিকে অবিকলভাবে চালু রেখেই। তবে এই সফটওয়্যার আপডেট করতে গিয়েই রেশন ডিলাররা অনেক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন বলে অভিযোগ করছেন। অনেকসময় সফটওয়্যার আপডেট করতে গিয়ে রেশন বন্টন প্রক্রিয়া স্লথ হয়ে যাচ্ছে, যার ফলে গ্রাহকদের রোষানলে পড়তে হচ্ছে তাদের, আবার অনেক সময় গ্রাহকদের ফিঙ্গারপ্রিন্ট ম্যাচ না করায় বহু গ্রাহককে রেশন দেওয়া সম্ভবপর হয়ে উঠছে না। এর ফলে ফিঙ্গারপ্রিন্ট পদ্ধতি নিয়ে রেশন ডিলারদের সাথে সরকারের মতবিরোধ লেগেই রয়েছে। তবে আধার কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অনুসারে পুরোনো রেশন দেওয়ার পদ্ধতি চালু রেখেই এই নতুন সফটওয়্যার আপডেট করতে হবে। যদি একবারে সফটওয়্যার আপডেট সম্ভব না হয় তাহলে বারংবার প্রচেষ্টা করতে হবে। আর আধার কর্তৃপক্ষ এই নির্দেশ দেওয়ায় এক্ষেত্রে রাজ্য সরকারেরও কিছু করার নেই। যদি রাজ্যের ডিলাররা এই পদ্ধতিতে রেশন বন্টন না করেন তাহলে ভবিষ্যতে আধার সংস্থার জরিমানার মুখেও পড়তে হতে পারে পশ্চিমবঙ্গ খাদ্য দপ্তরকে।

আগস্ট মাসে এই পাঁচটি প্রকল্পের টাকা পেতে চলেছেন কৃষকেরা, কোন কোন প্রকল্প জেনে নিন

উল্লেখ্য, এর আগেও রেশন বন্টন নিয়ে বিস্তর অভিযোগ উঠেছিল। গ্রাহকদের আঙুলের ছাপ অনেক সময়ই না মেলার ফলে রেশন দেওয়া নিয়ে সমস্যার সৃষ্টি হয়েছিল। ডিলাররা খাদ্য দপ্তরকে এই অভিযোগ জানালে কিছু আধিকারিক এইরকম বিশেষ কেসে আধার নম্বর দেখে রেশন দেওয়ার কথা বলেছিলেন। কিন্তু এইরকম কোনো অফিসিয়াল নির্দেশ না থাকায় এইভাবে রেশন দেওয়ার জন্য পরবর্তীকালে খাদ্য দপ্তরের শো-কজের মুখে পড়তে হয় অনেক রেশন ডিলারদের। এই প্রসঙ্গে রেশন ডিলারদের একাংশ জানিয়েছেন, নতুন পদ্ধতিতে রেশন দিতে গিয়ে গ্রাহকদের অনেক সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। কিন্তু এক্ষেত্রে তাদের কিছুই করার নেই। সবটাই উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাদের করতে হচ্ছে। তাই নতুন নিয়ম নিয়েও ভবিষ্যতে একই সমস্যা দেখা যাবে কিনা সে বিষয়ে অনেকের মনেই সন্দেহ দানা বাধতে শুরু করেছে।

এইরকম আরও নানান গুরুত্বপূর্ণ আপডেট পেতে আমাদের ওয়েবসাইটটি ফলো করুন এবং নীচের ডানদিকের টেলিগ্রাম আইকনে ক্লিক করে আজই জয়েন হোন আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে